ময়মনসিংহ জেলায় শম্ভুগঞ্জ স্টেশন সংলগ্ন বইলদা পাড়া চৌকি পট্টিতে দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক, ইয়াবা, হেরোইন, রমরমা দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে । সূর্য উঠতে না উঠতেই মাদকসেবীরা চৌকি পট্টিতে এসে ভীড় জমায় এবং তারা নেশাগ্রস্থ অবস্থায় ঐ এলাকায় আনাগোনা করতে থাকে। মাদক সেবীদের ভয়ে স্কুল কলেজের পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীরা এই এলাকার দিয়ে স্কুল কলেজে যেতে ভয় পায়। দীর্ঘদিন যাবৎ হীরা মিয়া (২৫), নজরুল (৩৫), অবসরপ্রাপ্ত মৃত পোষ্টমাষ্টার এর ছেলে আবু বক্কর এরা দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় মদ, ইয়াবা, হিরোইন, গাজা, ফেন্সিডিল এবং দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। স্কুল কলেজের উঠতি বয়সের ছেলেরা মাদকের নেশায় আকৃষ্ট হয়ে পড়েছে। শম্ভুগঞ্জ বইলদা পাড়া চৌকি পট্টির এক অভিভাবক না জানা শর্তে আপেক্ষ করে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন অনেক অভিযোগ কোতোয়ালী থানায় বিষয়টি বারবার জানানো হলেও পুলিশ অজ্ঞাত কারনে মাদক বিক্রেতাদের ধরছেনা। মাদক সেবীদের অত্যাচারে এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই বেড়েই চলছে। ুনাম না জানা আরেক ব্যক্তি জানিয়েছেন অপর এক সূত্রে জানা যায় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে তারা মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে এবং তারা ক্ষমতাশালী দলের নাম ভাঙ্গিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসা করে আসছেন। বেশ কিছুদিন আগে ময়মনসিংহ দৈনিক আজকের বাংলাদেশ, দৈনিক ভোরের সময় ও দৈনিক জনতার কন্ঠস্বর পত্রিকায় শম্ভুগঞ্জে মাদক ব্যবসা রমরমা শিরোনামে প্রকাশিত হলেও তার পরের দিন শম্ভুগঞ্জের শীর্ষ গাজা ব্যবসায়ী কাশেম আলীর স্ত্রীকে ২০কেজি গাজা সহ ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করে। তার কিছুদিন পরেই মাদক ব্যবসায়ীরা শম্ভুগঞ্জে বিভিন্ন প্লটে আবার মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বিষয়টি মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন এবং শম্ভুগঞ্জে মাদকমুক্ত ও স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা নির্বিঘেœ স্কুল কলেজের যেতে পারে তাই ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এর দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে।
ময়মনসিংহ সদরে শম্ভুগঞ্জ বইলদাপাড়ায় হাত বাড়ালেই মাদক
