একের পর এক আইনি ঝামেলায় দিন পার করছেন বলিউডের প্রভাবশালী অভিনেতা সালমান খান। এবার মেধাস্বত্ব আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আইনি নোটিশ পেলেন তিনি।
সালমান খান ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ ছবিতে অনুমতি না নিয়ে ‘ভর দো ঝোলি মেরি’ কাওয়ালি গান ব্যবহার করায় প্রযোজক সালমান, পরিচালক কবির খান, সংগীত পরিচালক প্রীতমসহ আরও কয়েকজনকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে মিড-ডে ডটকম।
গাড়িচাপা দিয়ে মানুষ হত্যা মামলায় সালমান খানকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণী হত্যা মামলাও ঝুলছে তাঁর ওপর। এ ছাড়া গত জুন মাসের শেষদিকে সালমানের বিরুদ্ধে ২৫০ কোটি রুপির মানহানির মামলা ঠুকে দিয়েছেন ‘বীর’ ছবির প্রযোজক বিজয় গালানি। তাঁর দাবি, হেয়প্রতিপন্ন হওয়ার পাশাপাশি সালমানের কারণে হয়রানির শিকার হয়েছেন তিনি।
২০০৭ সালে পাকিস্তানের সুফি কাওয়ালি গানের দল সাবরি ব্রাদার্সের কাছ থেকে ‘ভর দো ঝোলি মেরি’ গানের সত্ত্ব কিনেছিলেন বলিউডের চলচ্চিত্র প্রযোজক আবদুল সামি সিদ্দিকী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্ক নিয়ে একটি ছবি বানাতে চেয়েছিলাম আমি ও রাজকুমার সন্তোষী। এ জন্য আট বছর আগে গানটির সত্ত্ব কিনেছিলাম। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, অন্য যে কেউ এভাবে চলচ্চিত্রে গানটি ব্যবহার করবে।’
সামি সিদ্দিকীর আইনজীবী রশিদ জাফর জানিয়েছেন, আইনি নোটিশের জবাব না পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
‘ভর দো ঝোলি মেরি’ গানটি তৈরি করেছিলেন সাবরি ব্রাদার্স গানের দলের প্রয়াত সদস্য মকবুল সাবরি। তাঁর ছেলে সুমেইল সাবরি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘অনুমতি নেওয়া তো দূরের কথা, গানটির জন্য কোনো স্বীকৃতিই আমাদের দেওয়া হয়নি। আইনি নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। কারণ আলোচনার মাধ্যমেই এর সমাধান করা যেত।’
সুমেইল সাবরির চাচাতো ভাই আমজাদ ফরিদ সাবরি বলেন, ‘আমার সন্তানরা সালমান খানের ভক্ত। আমিও। কিন্তু আমাদের কিছু না জানিয়ে কাওয়ালি গানটি ছবিতে ব্যবহার করায় আমি ক্ষুব্ধ ও বিচলিত। তাঁরা যদি বলতেন, তাহলে আমি খুশিমনেই গানটি ছবিতে ব্যবহারের অনুমতি দিতাম।’
