প্রতিমন্ত্রী চুমকি শিশু রাজনদের বাড়িতে

Meher-Afroz-Chumki-visits-Rajon-residence-in-Sylhet-150x96

মেহের আফরোজ চুমকি মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

শিশু রাজনদের বাড়িতে গিয়ে স্বজনদের সমবেদনা জানান

সিলেটের কুমারগাঁওয়ে পিটুনিতে নিহত শিশু সামিউল আলম রাজনের বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মাকে সান্ত্বনা জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি।

বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের বাদেআলী গ্রামে রাজনদের বাড়িতে যান প্রতিমন্ত্রী। তিনি রাজনের বাবা-মা ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন।

এসময় তিনি রাজনের বাবা আজিজুর রহমানের হাতে এক লাখ টাকা অনুদান তুলে দেন।

প্রতিমন্ত্রী চুমকি রাজনের ভাই সামিউল আলম সাজনের লেখাপড়ার খরচ বাবদ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাসে দুই হাজার টাকা করে দেওয়ার কথাও জানান।

পরে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “রাজন হত্যার বিচার দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

“এ ধরনের একটি বর্বরোচিত ঘটনায় সবাই হতবাক। রাজন হত্যায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।”

শিশু নির্যাতন ও হত্যার বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।

রাজনের বাবা আজিজুর রহমান ও মা লুবনা আক্তার ছেলের হত্যার আসামিরা দ্রুত গ্রেপ্তার হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

গত ৮ জুলাই সকালে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ১৩ বছরের রাজনকে। নির্যাতনকারীরাই শিশুটিকে পেটানোর ভিডিও ধারণ করে এবং ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়। ২৮ মিনিটের ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবদের ঝড় ওঠে।

এ ঘটনায় জালালাবাদ থানা পুলিশ একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। এতে মুহিত ইসলাম, তার ভাই কামরুল ইসলাম, তাদের সহযোগী আলী হায়দার ওরফে আলী ও চৌকিদার ময়না মিয়াকে আসামি করা হয়েছে।

আসামিদের মধ্যে মুহিত ও ময়না মিয়াকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পর সৌদি আরবে পালিয়ে যাওয়া কামরুল সেখানে ধরা পড়েছেন। অন্য আসামি আলী হায়দারকে খুঁজছে পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *