কোরবানি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

 

এবার সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাসহ অন্যান্য জায়গায় নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানি ও পশুর হাট স্থাপন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। একই সঙ্গে পশু জবাই করার সুনির্দিষ্ট স্থান সম্পর্কে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার বিভাগকে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সিটি কর্পোরেশনগুলোর পশু কোরবানির স্থান, জবাইকারী মাওলানা ও কসাইদের চূড়ান্ত তালিকা স্থানীয় সরকার বিভাগের কাছে দাখিল করতে হবে। ইতিমধ্যে ৭ দিন পার হলেও, এখন পর্যন্ত সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাগুলো তাদের তালিকা দাখিল করতে পারেনি বলে সংশি¬ষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে আসন্ন কোরবানি নিয়ে কিছু নির্দেশনা দেন। এরই প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ বিষয়টি কয়েকটি মন্ত্রণালয়সহ বিভাগীয় কমিশনারদের জানিয়ে দিয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী জুমার নামাজের খুতবার আগে ও পরে ইমাম সাহেবরা মুসলি¬দের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানির পশু জবাই করা নিয়ে বক্তব্য রাখবেন। অবশ্য এ বিষয়ে ইতিমধ্যে ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া শুরু করেছে বলে সংশি¬ষ্ট সূত্রে জানা গেছে। যেসব স্থানে কোরবানির পশু জবাই করা হবে সেসব স্থানের বর্জ্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ ও জীবাণুমুক্ত করার বিষয়ে নিশ্চিত হতে বলা হয়েছে। ঈদের নামাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেন কোরবানির পশু জবাইয়ের কাজ শুরু করা যায় সে ব্যাপারে আগে থেকে নির্ধারিত স্থানে মাওলানা সাহেব ও কসাইদের উপস্থিত রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। কোরবানির পশু জবাইয়ের নির্ধারিত স্থান সম্পর্কে ঈদগা মাঠে ঘোষণা দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ঈদের আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সভা করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আর কোরবানির পশু জবাইয়ের স্থানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেয়ার কথা বলা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে পশু চামড়া নিয়ে স্থানীয়ভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হয়। সেই বিষয়টি লক্ষ্য রেখে আগাম প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *