খালেদার সৌদিযাত্রা হঠাৎ বাতিল

KKK

কারাবন্দি নেতা-কর্মীদের কথা ‘বিবেচনা করেই’ বিএনপিনেত্রীর এই সিদ্ধান্ত বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বিএনপির মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন বলেন “প্রতিবছরই সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে আমাদের চেয়ারপারসন ওমরাহ করতে যান। এবার তিনি যাচ্ছেন না।”

এর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও অসংখ্য কর্মী এখনও কারাবন্দি। এই মুহূর্তে ম্যাডাম তাদের পাশে থাকার কথা চিন্তা করছেন। সেজন্য এই রোজায় ওমরাহ করতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

অবশ্য ঈদের পর ‘সুবিধাজনক সময়ে’ তিনি ওমরাহ করতে যাবেন বলেও বিএনপি মুখপাত্র জানান।

প্রতিবছর ২০ রোজায় সৌদি আরবে গিয়ে সপ্তাহখানেক সেখানেই অবস্থান করেন খালেদা। গতবছরও বড় ছেলে তারেক রহমানসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি রোজায় ওমরাহ করেন।

এবারও সে অনুযায়ী সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়। মোট ১৩ জনের ভিসা হয়, বুধবার রাতে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের টিকেটও কাটা হয়।

বড় ছেলে তারেক রহমান, তার স্ত্রী জোবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান লন্ডন থেকে এবং প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান সিথি, মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাফিয়া রহমান মালয়েশিয়া থেকে সৌদি আরবে গিয়ে খালেদার সঙ্গে যোগ দেবেন বলেও বিএনপি নেতাদের পক্ষ থেকে বলা হয়।

কিন্তু মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ করেই খালেদা জিয়া সফর বাতিলের সিদ্ধান্ত দেন বলে দলের একাধিক নেতা  জানান।

ডজনখানেক মামলার পলাতক আসামি তারেক গত ছয় বছর ধরে পরিবার নিয়ে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। ইতোমধ্যে তার বাংলাদেশি পাসপোর্ট বৈধতা হারানোয় তিনি এখন শরণার্থী হিসেবে দেশটিতে অবস্থান করছেন বলে ঢাকা ও লন্ডনের বিভিন্ন সূত্রের খবর। তিনি কীভাবে সৌদি আরবে যেতে চেয়েছিলেন সে বিষয়টি বিএনপি নেতাদের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *